টবে থানকুনি চাষ পদ্ধতি।

0

 

টবে থানকুনি চাষ পদ্ধতি।

থানকুনি অতি পরিচিত এক ভেষজ উদ্ভিদ। ক্ষেতের ধারে, পুকুর পাড়ে কিংবা ডোবার পাশে বেড়ে ওঠা এই উদ্ভিদের রয়েছে বহুগুণ। থানকুনির পাতা ক্ষত সারাতে, পেটের অসুখ দূর করতে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি এমনকি সৌন্দর্যচর্চায় প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই পাতার রস খুবই উপকারী।


মাটি


থানকুনি চাষের জন্য বিশেষ কোনও মাটির প্রয়োজন হয় না। তবে দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ কিংবা কোকোপিট মেশানো মাটি থানকুনির জন্য ভালো।


টবের আকার


থানকুনি চাষের জন্য ছোট, মাঝারি বা বড় যে কোনও আকারের টব বাছাই করা যায়। টবের নিচে ২-৩ টি ছিদ্র করে দিতে হবে যেন পানি জমে না থাকে। কারণ থানকুনি জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।


সময়


যেহেতু সারা বছরই থানকুনি পাওয়া যায়, তাই বছরের যে কোনও সময়ই এর বীজ বা শেকড় টবে লাগানো যাবে।


চারা বা বীজ বপন পদ্ধতি


থানকুনি গাছ বীজ থেকেও তৈরি হয়। অথবা শিকড়সহ লতা লাগালেও গাছ বড় হয়। টবে পরিমাণমতো মাটি দিয়ে তাতে চারা বা বীজ বপন করতে হবে। খুব বেশি পানি দেওয়া যাবে না। পানি যেন জমে না থাকে সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।


পরিচর্যা


গাছে যেন নিয়মিত সূর্যের আলো পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জৈবসার প্রয়োগ করতে হবে। টবের বেলায় এক মুঠো জৈবসার (ভারমি কম্পোস্ট) ছড়িয়ে দিয়ে মাটি খুঁড়ে মিশিয়ে দিলেই হবে। সময়মতো পাতা আহরণ করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে টবে যেন আগাছা না জন্মে। গাছ ঘন হয়ে গেলে ছেঁটে দিতে হবে।


সারা বছরই থানকুনির চাষ করা যায়। তবে বীজ সংগ্রহের জন্য গ্রীষ্মকাল উত্তম সময়। একটু বড় টবে চাষ করলে যে পরিমাণ পাতা আসবে তা দিয়ে পরিবারের সবার চাহিদা মেটানো সম্ভব।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)